--- কিরে দাদুভাই তোরা দুজন এভাবে দৌড়াচ্ছিস কেন ?(তিশানের দাদু)
--- দাদু আমাকে এই রিকশার হাত থেকে বাঁচাও।(হাঁপাতে হাঁপাতে)
--- তুই আমাকে আজকে তিন তিনটি বার রিকশা বলেছিস আজকে আমি আর তোকে ছাড়বো না শয়তান 😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
--- সরি সরি ভুল হয়ে গেছে রে আর কখনো তোকে রিকশা বলবো না।(কান্নার ভান করে। সত্যি কারের না রিকশা ধুর রিশা কে দেখানোর জন্য।😜😜😜)
--- না আমি তোর কথা বিশ্বাস করি না তুই একটা চিটিং।😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
তিশান জানে তাকে এখন কি করতে হবে।।।।।
--- সরিরে রিশু এই দেখ কান ধরছি আর কখনো এই ভুল করবো না ক্ষমা করে দে বনু।😭😭😭
(পেত্নী রিকশার বাচ্চা ক্ষুধা লাগছে তাই আর কিছু বললাম না। তা না হলে রিকশা তোকে যে আমি কি করতাম 😡😡😡😡😡😡) মনে মনে😂😂
--- হুম যা যা মাফ করে দিলাম আমার মন অনেক বড় রে না হলে তোকে গাছের সাথে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখতাম। হুহ😏😏😏😏😏😏😏
--- (ছিঃ ছিঃ এতো অপমান। রিকশা তোকে আমি নাহ অনেক ক্ষুধা লাগছে আগে খেয়ে নেই। রিকশা কে পরে শায়েস্তা করা যাবে।) মনে মনে।
--- হুম ভাইয়া চল এবার খাবার খেয়ে নেই অনেক দেরি হয়ে গেছে।
--- হুম চল।
--- আচ্ছা তিশান একটা কথা বলি?(তিশানের আম্মু)
--- হুম আম্মু বলো।
--- তানহা কে তোর কেমন লেগেছে রে খুব মিষ্টি না মেয়েটা খুব লক্ষী।😄😄😄😄😄😄😄😄
--- আম্মু😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
--- কি হলো রে দাদুভাই এতো রেগে যাচ্ছিস কেন?
--- আম্মু,,,দাদু শুনো তোমারা ওই মেয়েটির মতো ঝগড়াটে আমি আর ২টা দেখিনি আর তোমরা কিনা বলছো মিষ্টি লক্ষী😡😡😡😡😡😡
--- কেন কি হয়েছে রে ভাইয়া তানহা আপুর সাথে ঝগড়া করেছিস নাকি?
--- আমার বয়ে গেছে ওই মেয়ের সাথে ঝগড়া করতে। ওই মেয়ে তো আস্তো একটা ঝগড়াটে। 😡😡😡😡😏😏😏😏😏😏😏আমার খাওয়া শেষ আমি উঠি🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶
তিশান চলে যায় নিজের রুমে।
--- আম্মু এটা কি হলো ভাইয়া হঠাৎ এতো রেগে গেলো কেন?😔😔😔😔😔😔😔😔😔😔😔
--- আমি কিভাবে জানবো তুই গিয়ে জিজ্ঞেস করে দেখ।
--- না বাবা আমার মাইর খাওয়ার শখ নাই। আমার ও খাওয়া শেষ আমি নিজের রুমে গেলাম🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶
--- মনে হয় আজকে তানহা মামনি অফিসে লেট করে এসেছে তাই তিশান এতো রেগে আছে বাদ দাও ঠিক হয়ে যাবে সব।(তিশানের আব্বু)
বিকেলে...................
৩২ টা ফাইলের সমাধান করতে করতে তানহার নাজেহাল অবস্থা।
---- বেটা বজ্জাত আমার মতো একটা পিচ্চি মেয়েকে এতো গুলো ফাইল ধরিয়ে দিলো আমি ও এর শোধ তুলবো।হুহ আমি ও দেখবো কতো ধানে কতো চাল😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
(তানহা কিন্তুু তিশানের উপর প্রচুর রেগে আছে। যে মেয়েটির ৫/১০ টা ফাইল সমাধান করতে পুরো রাত লেগে যেত সে কিনা ৩২ টা ফাইলের সমাধান করবে।???? ভাবা যায় এগ্লা😲😲😲😲)
এদিকে তিশান তার ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠেছে........
--- দোস্ত তুই কি এখনো আগের মতোই সিংগেল আছিস না কি ডাবল হয়ে গেছিস?(রোহান। তিশানের ফ্রেন্ড)
--- মানে??
--- কারো সাথে প্রেম করিস না? নাকি এখনো সেই আগের মতো প্রেম থেকে গুনে গুনে ১০০ হাত দূরে আছিস?
--- নারে ভাই আমার দ্বারা এসব প্রেম টেম হবে না আর GF মানে প্যারা আমি এসব প্যারা নিতে পারবো না ভাই মাফ কর।😔😔😔😔😔😔
---- এই তিশান শুন কার মনে কখন প্রেমের ঘন্টা বাজে বলা যায় না কিন্তুু সাবধানে চলা ফেরা করিস।😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜(সাইম)
--- আমার মনে কখনো ওই সব ঘন্টা বাজবে না রে দেখে নিস তোরা।😀😀😀😀😀😀😀😀
--- 😏😏😏😏😏😏😏😏😏😏😏😏😏
আরো অনেকক্ষণ আড্ডা দেওয়ার পর বাসায় ফিরে যায় তিশান।
রাতে..............
তানহা কোনো রকমে ডিনার সেরে আবার সেই ৩২ টা না মানে ২২ টা ফাইল নিয়ে বসেছে। ৩২ টা মাঝে কোনো ভাবে ১০ টা ফাইলের সমাধান করেছে তানহা তাও অনেক কষ্টে।😂😂😂😂😂😂😂
তিশান ও ডিনার সেরে অফিসের কিছু ফাইল দেখছিল এমন সময় হঠাৎ একটি কাগজের দিকে চোখ যায় তিশানের কাগজ টা হাতে নিয়ে দেখে এতে অফিসের সকল স্টাপদের ফোন নাম্বার দেওয়া। তিশান কাগজ টা থেকে তানহার নাম্বার টা বের করে।
তিশান ভাবলো তানহা কে একটু রাগিয়ে দেওয়া যাক। তিশান তানহার নাম্বার টায় ফোন দেয়।আর তানহা ফোন টা রিচিভ করা মাএই তিশান কে যা বলে এতে তিশান রেগে পুরো আগুন হয়ে যায়।
(((((((((ভাবতে থাকেন তিশানের রেগে যাওয়ার কারণ কি হতে পারে...!!!!😁😁😁)))))))))
#To_be_continue
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা , আমি হিয়া চোধুরি। একজন লেখিকা। জানিনা কেমন লিখি আমি। তবে আশা করি আমার লেখা গল্প , উপন্যাস পড়লে আশাহত হবেন না৷ আমার লেখা নিয়ে আপনার মতামত থাকলে কমেন্ট বক্সে জানান।
আপনি চাইলে ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত হতে পারেন !
-- ১| আজকে তুমি নতুন এমডি মানে আমি আসবো জেনে ও লেট করে অফিসে আসছো আর ২| আমাকে তুই তোকারি করেছো।
--- সরি স্যার আসলে আমি বুঝতে পারিনি আংকেলের সেই বজ্জাত ছেলেটি আপনি।😭😭
--- তুমি আবার আমাকে বজ্জাত বললা😡😡😡 তোমাকে শাস্তি পেতেই হবে।
--- সরি স্যার মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে এমন ভুল আর হবে না।😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
--- এই নাও ৩২ টা ফাইল তুমি কালকের মধ্যে সব ঠিক ঠাক করে আমায় দিবে এটা তোমার শাস্তি।
--- স্যার😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭
--- No Excuse... because u is my PA..are you ok.?
--- জ্বী স্যার😭😭(তোর উপর ঠাডা পরবো বেডা বজ্জাত দেখে নিস তোর ১২৫ টা বাচ্চা হবে। তোর বউ আস্তো একটা শাক্ষচুন্নি পেত্নী কাইল্লা ভুত আরো কি যেন ধুর ভুলে গেছি পরে মনে পড়লো বলবো নি সব তোর বউয়ের গুন হবে দেখবি। আমাকে শাস্তি দেওয়া না আমি ও এর শেষ দেখে ছাড়বো।হুহ ) মনে মনে।
--- আমাকে বকা দেওয়া শেষ হয়েছে?😡😡😡
--- ন.ন.না ম.মানে স্যার কিভাবে বুঝলেন?
--- তার মানে তুমি সত্যিই আমাকে বকা দিচ্ছিলে?
--- ন..না স্যার একদম না। 🏃🏃🏃🏃🏃🏃
(((দৌড়ে নিজের কেবিনে চলে আসে তানহা। কারন তানহার একটাই ভয় আরো যদি শাস্তি মানে ফাইল আরো ৩ টা বাড়িয়ে ৩৫ টা করে দেয় তাহলে তানহা কে আর পাওয়া যাবে না। কারণ কোনো কাজে তানহা একদম অলস।)))
এদিকে তানহার এমন কান্ড দেখে তিশান মনে মনে হাসতে হাসতে শেষ।
তিশানের ফোন আসে..................
তিশান তানহার কথা ভাবতে ভাবতে ফোন টার দিকে কোনো খেয়াল ই নেই ফোন টা বাজতে বাজতে কেটে যায় আবার ফোন আসে।
--- ওই ভাইয়া কি হইছেরে তোর সেই কখন থেকে ফোন দিচ্ছি ফোন টা তুললি না কেন?(রিশা তিশানের বোন)
--- সরি রে রিকশা খেয়াল করি নি তাই।
--- ভাইয়া আমি রিকশা না রিশা😡😡😡😡😡
--- ২ টাই একি জিনিস😁
--- কি বললি তুই?😡😡😡😡😡😡😡😡
--- বলছি যে কেন ফোন দিয়েছিস?
--- 😡😡😡😡😡😡😡😡😡(নিশ্চুপ)
--- আচ্ছা কিছু না বললে তাহলে ফোন টা রেখে দেই?
--- তোকে আমি পরে দেখে নিবো। (মনে মনে) অফিস থেকে ফিরার পথে আমায় ও কলেজ থেকে নিয়ে যাবি একএে বাসায় যাবো ওকে?
--- ওকে। রিকশা না মানে রিশা।😊😊😊😊😊
--- 😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
ফোন টা কেটে দেয় রিশা।
অফিস শেষে যে যার বাসায় চলে যায়।
বাসায়...............
--- কিরে তোর এই অবস্থা কেন?(তানহার আম্মু)
--- আর বলো না আম্মু ওই বেটা বজ্জাতের হাড্ডি আমায় ৩২ টা ফাইল ধরিয়ে দিয়েছে আর অল্পের জন্য ৩৫ টা হয় নি।😭😭😭
--- কোন বেটা বজ্জাতের হাড্ডি কি বলছিস তুই আর কিসের জন্য ৩৫ টা হয় নি মাথা ঠিক আছে তোর ওগো শুনছো আমার মেয়েটার মাথা মনে হয় গেছে।😭😭😭😭
-- আম্মু😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
--- কি হয়েছে মামনি?(তানহার আব্বু)
--- এই তানহা তোর মাথা ঠিক আছে তো কেমন করে কথা বলছে আমার মেয়েটা এই তোর কাল থেকে আর ওই অফিসে জব করতে হবে না নিজের বাবার ও তো অফিস আছে ওই টা ছেড়ে বাবার বন্ধুর অফিসে কেন জব করতে হবে তোর হ্যাঁ বল আমায়?
--- আম্মু আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে চাই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।
--- তা অন্য কারো অফিসে কেন?
--- আম্মু আমার ওই সব কাজে অাগ্রহ বেশী তাই আব্বু তুমি আম্মু কে বোঝাও আমি ফ্রেশ হতে গেলাম। ধুর এইসব আর ভালো লাগছে না 😞😞
--- আচ্ছা মামনি তুমি ফ্রেশ হয়ে খেতে আসো তোমার আম্মু আর তোমাকে তোমার কাজে বাঁধা দিবে না তুমি নিজের মতো করে প্রতিষ্ঠিত হও এটা আমি ও চাই।
--- Thank you dear abbu😍😍😍😍😍😍
--- welcome my princess...
তানহা ফ্রেশ হতে চলে যায়।
(((((তানহা শিহাব চৌধুরী এর একমাত্র মেয়ে। তানহা আর তানহার আব্বু আম্মু কে নিয়েই তানহার পরিবার। তিশান,,, রিশা,,, তিশানের আব্বু আম্মু আর দাদু কে নিয়ে তিশানের পরিবার। রিশা এই বার ইন্টার ১ম বর্ষে পড়ে। শিশির চৌধুরী (তিশানের আব্বু) আর শিহাব চৌধুরী (তানহার আব্বু) ছোট বেলার বন্ধু))))
--- তিশান...??
--- জ্বী আব্বু।
--- আজকে তোমার কোনো প্রবলেম হয় নি তো ?
--- না আব্বু।
--- আচ্ছা ঠিক আছে আর যদি কোনো কিছুর দরকার হয় তানহা মামনি তো আছেই সে তোমায় সাহায্য করবে।
--- ওই ঝগড়াটে মেয়েটা করবে আমাকে সাহায্য?😞😞😞😞
--- এই ভাইয়া তুই কাকে ঝগড়াটে বলছিস রে?😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
(((((বাকিটা পরে বলবো ওরা দৌড়াদৌড়ি করুক কারণ দৌড়াদৌড়ি করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো)))))😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜😜
#To_be_continue
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা , আমি হিয়া চোধুরি। একজন লেখিকা। জানিনা কেমন লিখি আমি। তবে আশা করি আমার লেখা গল্প , উপন্যাস পড়লে আশাহত হবেন না৷ আমার লেখা নিয়ে আপনার মতামত থাকলে কমেন্ট বক্সে জানান।
আপনি চাইলে ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত হতে পারেন !
---এই কুত্তি কই তুই তোর জন্য সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি তুই কি আসবি.?
---হুম এই তো আর ২ মিনিট।
---এই শোন তোর জন্য যদি আমার অফিস মিস হয় না তোর ১২ টা বাজাবো আমি দেখে নিস।😡😡😡😡😡😡😡
---সরি রে দোস্ত। এই তো এসে গেছি।
ফোন কেটে দেয় আর তানহা। নিশিতা দৌড়ে তানহার কাছে আসে।
---সরি দোস্ত ভুল হয়ে গেছে আসলে ঘুম থেকে একটু দেরিতে উঠছি তো তাই ক্ষমা করে দে এমন ভুল আর করবো না।😥😥😥😥😥😥😥😥
--- হুম হইছে আর এতো ক্ষমা চাওয়া লাগবে না।😒😒😒😒😒😒😒😒😒😒😖😒😒😒😒
--- আচ্ছা ঠিক আছে চল এবার শপিং করে নেই।
--- হুম চল।
তানহা আর নিশিতা শপিং করা শেষ করে কথা বলতে বলতে শপিংমল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলো এমন সময় তানহার সাথে কারো ধাক্কা লাগে। তানহা তো প্রচুর রেগে যায়। তানহা সামনে তাকিয়ে দেখে একটা ছেলে।
--- এই যে মি. চোখ কি বাসার আলমারিতে রেখে এসেছেন।?😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
--- চোখ কি আলমারিতে রাখার জিনিস নাকি যে আলমারিতে রেখে আসবো?
--- তাহলে এভাবে কানার মতো হাটছেন কেন? দেখে শুনে চলতে পারেন না?
--- কি বললেন আমি কানা?😡😡😡😡😡😡
--- জ্বী হ্যাঁ আপনি একটা কানা শুধু কানা না আস্তো একটা দিন কানা দেখে শুনে চলতে পারেন না?
--- আপনাকে তো আমি............😡😡😡😡😡
--- এইইইই তানহা থাম থাম প্লিজ ঝগড়া করিস না।
--- কি বললি আমি ঝগড়া করি?😡😡😡😡
--- হুম আপনি তো আস্তো একটা ঝগড়াটে মেয়ে।😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠😠
--- সয়তান তোকে আজকে আমি আলুর ভর্তা বানাবো।(তানহা)
--- এই আপনি তুই তোকারি করছেন কেন?😡😡
--- ১০০ বার করবো তাতে তোর কি বেটা বজ্জাতের হাড্ডি😡😡😡😡😡😡😡
--- 😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
নিশিতা ওদের ঝগড়া থামাতে না পেরে বলে
--- এই তানহা তোর অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে কিন্তুু এই দেখ ১০ টা ১৫ বাজে।
--- কি বলিস হায় হায় আজকে তো তাহলে নতুন এমডির বকা খেতে হবে।😭😭😭😭😭😭😭
(তানহা কে আর পায় কে দেয় একটা দৌড়। নিশিতা আর ছেলেটি তানহার এমন দৌড় দেখে অবাক)
--- প্লিজ ভাইয়া সরি ওর হয়ে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।
--- হুম ঠিক আছে তবে আপনার ফ্রেন্ড কে সামলে রাখবেন। মাইন্ড ইট।
--- ওকে ভাইয়া।
--- (ছেলেটা চলে যায়)🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶
«(((গল্পের নায়কের নাম তিশান চৌধুরী আর নায়িকার নাম তানহা তাবাসসুম (অনেক রাগি) একটা মেয়ে না জানি তিশানের জীবন টা কি করে ছাড়ে।)))»
অফিসে পৌঁছে..............
--- এই তানহা আজকে এতো দেরি করে আসলি কেন নতুন এমডি কিন্তুু তোর উপর খুব রেগে আছে তাড়াতাড়ি স্যারের কেবিনে যা।(আনিকা। তানহার কাজিন)
--- এইরে সেরেছে ইয়া আল্লাহ তোমার এই অধম বান্দা টাকে আজকের মতো বাঁচিয়ে দাও। "আমিন"
--- May I come in sir?
--- Yes come in.
তানহা কেবিনে ঢুকে নতুন এমডি কে দেখে অবাক আর নতুন এমডি ও তানহা কে দেখে অনেক রেগে যায়।😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡😡
#To_be_continue
প্রিয় পাঠক বন্ধুরা , আমি হিয়া চোধুরি। একজন লেখিকা। জানিনা কেমন লিখি আমি। তবে আশা করি আমার লেখা গল্প , উপন্যাস পড়লে আশাহত হবেন না৷ আমার লেখা নিয়ে আপনার মতামত থাকলে কমেন্ট বক্সে জানান।
আপনি চাইলে ফেসবুকে আমার সাথে যুক্ত হতে পারেন !